BREAKING NEWS

জাতীয়

বিনোদন

অর্থ ও বাণিজ্য

জাতীয়

বিনোদন

অর্থ ও বাণিজ্য

অর্থ ও বাণিজ্য

Monday, 10 March 2014

ব্যাংকিংয়ের আওতায় আসছে পথশিশুরা

দীর্ঘদিন ঝুলে থাকার পর ব্যাংকিংয়ের আওতায় এলো পথশিশুরা। বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও আইনি জটিলতায় আটকে যায় পথশিশুদের এই অধিকার। গত শনিবার চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আয়োজনে ‘স্কুল ব্যাংকিং কনফারেন্স’ অনুষ্ঠানে পথশিশুদের আশার বাণী শোনালেন গভর্নর ড. আতিউর রহমান। শিগগিরই পথশিশুদের জন্য ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কয়েকদিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন। সর্বশেষ গতকাল এ সংক্রান্ত নীতিমালা পর্যায়ের একটি সার্কুলার জারি করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুদের ক্ষেত্রে অভিভাবকরাই ব্যাংকের যাবতীয় নিয়মকানুন পরিপালন করে থাকে। শিশু ১৮ বছর পার করলেই সে ওই হিসাবের মালিকানা লাভ করে। যেমনটি স্কুল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। কিন্তু পথশিশুদের অভিভাবক সঙ্কটে নিয়ম কাজে আসছিল না। মূলত পথশিশুদের ব্যাংকিংয়ে অন্তর্ভুক্ত করতে গেলে হয় তাদের অভিভাবক খুঁজে বের করতে হবে না হয় আদালত যাকে নমিনি করবে তার মাধ্যমেই হিসাব খুলতে হবে। কিন্তু এটা খুবই কঠিন ও জটিল কাজ। এ কারণে খুব সহজে এবং ঝামেলামুক্তভাবে পথশিশুদের যাতে ব্যাংকিংয়ের আওতায় আনা যায় তার পথ খুঁজছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে এক কর্মকর্তা জানান, পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু করা হবে কর্মজীবী শিশু ব্যাংকিং। ছিন্নমূল কর্মজীবী পথশিশুদের এ ব্যাংকিং সেবায় প্রাথমিকভাবে এগিয়ে এসেছে রূপালী ও পূবালী ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংক দু’টিকে সার্বিক সহযোগিতা করছে ‘সেভ দ্যা চিলড্রেন’ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ব্র্যাক’। তিনি আরও জানান, গত বছরের ৭ই জুলাই রূপালী ব্যাংকের মোহাম্মদপুর শাখা এবং পূবালী ব্যাংকের মিরপুর শাখায় প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্পটি চালু করার কথা ছিল। কিন্তু পথশিশুদের বয়স ও অভিভাবকত্ব আইনে আটকে যায় তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রম। ছিন্নমূল শিশুদের জন্য ‘স্বপ্নপূরণ ব্যাংকিং’ শিরোনামে এ কার্যক্রম সব ধরনের জটিলতা কাটিয়ে আবার শুরু করা যাবে বলে আশা করছেন তিনি। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান বলেন, পথশিশুদের যেহেতু অভিভাবক নেই তাই ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে আসতে হবে। কিন্তু এ প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল। তাছাড়া, আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশের সব পথশিশুদের ব্যাংকিংয়ের আওতায় আনা। সেক্ষেত্রে বারবার আদালতে যাওয়া অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তাছাড়া, এ প্রক্রিয়ায় অন্যান্য ব্যাংক পথশিশুদের ব্যাংকিং সেবা দিতে আগ্রহী হবে না। তাই আমরা চেষ্টা করছিলাম যে প্রতিষ্ঠান তাদের জন্য কাজ করছে সে প্রতিষ্ঠানকে শিশুদের নমিনি করার। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বদল হলেও তাদের কার্যক্রম যেন চালিয়ে নেয়া যায় সেদিকেও লক্ষ্য ছিল বলে জানান তিনি।
 
Copyright © 2013 InnerViews24.com
ThemeForest Blogger Template Free Download. Powered byBlogger